রিপোর্টার : protidinerteknaf দুই দফায় অনুষ্ঠিত হয়েছে এবারের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ভোটগ্রহণ। ভোট প্রদানের হার ৯০ শতাংশের বেশি। বুথফেরত নানা সমীক্ষার জেরে শোনা যাচ্ছে, এগিয়ে রয়েছে রাজ্যের বর্তমান বিরোধী দল বিজেপি। কেন্দ্রীয় সরকারে ক্ষমতায় থাকার পাশাপাশি লোকসভা ভোটের নিরিখে রাজ্যে একাধিকবার ভালো ফলাফল করলেও বঙ্গের ক্ষমতায় এখনও অভিষেক হয়নি নরেন্দ্র মোদির দলের। ফের ক্ষমতায় আসবেন, এমন আশা তৃণমূল কংগ্রেস (টিএমসি) নেত্রী মমতারও। তবে টিএমসি-বিজেপির এই যুগে যেন হারিয়ে গেছে একসময় টানা ৩৪ বছর রাজ্যের ক্ষমতায় থাকা বাম (সিপিআইএম)। ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস তথা রাহুল গান্ধির দলেরও যেন একই দশা।
গত কয়েকবছর এই রাজ্যে বাম ও কংগ্রেসসহ বেশ কিছু দলের রাজনৈতিক বক্তব্যে একটি শব্দ ছিল, তা হলো 'বিজেমূল'। এই শব্দটি তৃণমূল ও বিজেপির সংমিশ্রণে তৈরি। যারা এটি ব্যবহার করেন, তাদের ভাষ্য— এই দুই দলের কার্যপ্রণালি দৃশ্যত আলাদা মনে হতে পারে। তবে, দুই দলের রাজনীতিই পরোক্ষভাবে একই ধরণের।
তৃণমূলের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তারা মুসলিম ভোটারদের ভোট পেতে লোক দেখানো 'মুসলিম তোষণ' ও 'অসাম্প্রদায়িক' রাজনীতি করে। অপরদিকে, বিজেপির দিকে আঙুল, এই দলটি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট ও রাজ্যের হিন্দু-মুসলিমদের মধ্যে সৌহার্দ্য-মেলবন্ধন নষ্ট করছে। মূলত, 'ধর্ম' ইস্যুটাই এখানে বিবেচ্য বিষয়। দুই দলের রাজনীতিতে এটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। যেখানে অর্থনীতি, শিল্পের উন্নয়নের চেয়েও নাকি ধর্মটাই বেশি থাকে।